গ্যাস সিলিন্ডারে কতটুকু গ্যাস আছে? যেভাবে বুঝবেন

রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার নিয়ে একটি সমস্যায় অনেকেই পড়েন। কারণ, আগে থেকে বুঝতে না পারায় অনেক সময়েই রান্না করতে করতেই সিলিন্ডারের গ্যাস ফুরিয়ে যায়। বাড়িতে গ্যাস সিলিন্ডার থাকলে ভাল, না থাকলে ভোগান্তি আরও বাড়ে। একটি সর্বভারতীয় হিন্দি সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী,

সিলিন্ডারে কতটা গ্যাস আছে একটি ভিজে কাপড়ের সাহায্যে তা সহজেই বোঝা সম্ভব। কী সেই পদ্ধতি? বাড়িতে গ্যাস সিলিন্ডার থাকলে এই ১০টি ভুল কখনওই করবেন না মধ্যপ্রদেশের একটি সায়েন্স কলেজের অধ্যাপক বিজেন্দ্র রায়ের দাবি, গ্যাস কতটা আছে তা বোঝার জন্য প্রথমে ভিজে কাপড় দিয়ে সিলিন্ডারটিকে ভাল করে মুছতে হবে।

এমন ভাবে মোছা উচিত, যাতে সিলিন্ডারের গায়ে কোনও ধুলোর আস্তরণ থাকলেও তা উঠে যায়। মোছা শেষ হলে দেখা যাবে সিলিন্ডার শুকোতে শুরু করেছে। দু’-তিন মিনিট পরে খেয়াল করলে দেখা যাবে সিলিন্ডারের কিছুটা অংশ শুকিয়েছে, বাকি অংশ ভিজে রয়েছে।

সেই অংশ শুকোতে একটু সময় লাগছে। প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, যতটা অংশ ভিজে থাকবে সেই অংশেই গ্যাস রয়েছে বলে ধরে নিতে হবে। অধ্যাপক রায় জানিয়েছেন, যেখানে তরল কিছু থাকে, সেখানকার তাপমাত্রা খালি জায়গার তুলনায় কম হয়। ফলে সিলিন্ডারের যে অংশটুকুতে এলপিজি রয়েছে, সেই অংশটি শুকোতেও সময় বেশি লাগে।

সামুদ্রিক মাছ খেয়ে এক রাতেই যুবতী থেকে বৃদ্ধা!

সুখের সংসার ভালোই চলছিল থি ফুয়ং নামের ভিয়েতনামের ২৬ বছর বয়সী গৃহবধূর। কিন্তু হঠাৎ করেই এক সামুদ্রিক মাছ খেয়ে বুড়ি হয়ে গেলেন তিনি! তাকে সারিয়ে তুলতে স্বামীর সব সম্পদ ব্যয় করলেও শেষ পর্যন্ত সুস্থ হতে পারেননি। সবকিছু মেনে নিয়ে স্ত্রীকেই আঁ’কড়ে রেখেছেন স্বামী। বর্তমানে তারা সুখেই আছেন। ভিয়েতনাম নেট ব্রিজ নামে একটি অনলাইনের খবরে বলা হয়েছে, তিন বছর আগে স্বামী ঘরে এনেছিলেন এক অজানা সামুদ্রিক মাছ। বেশ আগ্রহ নিয়েই থি রান্না করেছিলেন সেই মাছ।

কিন্তু সেই মাছ খাওয়ার পর বদলে যায় চেহারা। মাছ খাওয়ার পর প্রথমে তার শরীরে অ্যা’লা’র্জি দেখা দেয়। পুরো শরীর চুলকাতে থাকে। সহ্য করতে না পেরে এক দিন সকালেই ডাক্তারের কাছে যান। কিছু অ্যা’লা’র্জির ওষুধ নিয়ে ফিরে আসেন। এসে বিছানায় ঘুমিয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ পর তার স্বামী তাকে একজন বুড়ি হিসেবে দেখতে পান। প্রথমে তিনি ঘা’বড়ে যান।

কিন্তু পরে বুড়ির ক’ণ্ঠ শুনে বুঝতে পারেন তিনি তার স্ত্রী। এই দুর’বস্থা দূর করতে বহু ডাক্তারের কাছে গিয়েছে ওই দম্পতি। কিন্তু তাতেই কোনো কাজ না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তারা চীনে যান ডাক্তার দেখাতে। চীনের ডাক্তার জানান, তারা যে মাছ খেয়েছিলেন তাতে এক ধরণের বি’ষ ছিল। সেই বি’ষে আ’ক্রা’ন্ত হন স্ত্রী।

এই রো’গের জন্য যে ওষুধ খেতে হবে তা অনেক দামী। শেষ পর্যন্ত স্বামী তার প্রায় সব সম্পদ বিক্রি করে স্ত্রীর জন্য সেই ওষুধ কেনেন। কিন্তু তাতেও কোনো উন্নতি হয়নি। এই দম্পতি এখন প্রায় নিঃস্ব। তবে তাতে তাদের দুঃখ নেই। স্বামীর মন্তব্য, স্ত্রী বেঁচে আছে এবং আমার আছে সেটিই এখন বড়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *