বাংলাদেশি app দিয়ে টাকা ইনকাম বিকাশে পেমেন্ট ২০২২

বাংলাদেশি app দিয়ে টাকা ইনকাম : আপনি কি বাংলাদেশি অ্যাপ থেকে টাকা ইনকাম করতে চান? তাহলে আজকের এই আর্টিকেলটি শুধুমাএ আপনার জন্যই লেখা হয়েছে।

কারন আজকের আর্টিকেলে আমি বাংলাদেশি app দিয়ে টাকা ইনকাম নিয়ে আলোচনা করবো। কিভাবে বাংলাদেশি টাকা ইনকাম করার অ্যাপ পাবেন। এবং কোন কোন বাংলাদেশি অ্যাপ থেকে আয় করা যায়।

দেখুন বর্তমানে আপনার মতো অনেকেই তাদের হাতে থাকা স্মার্টফোন দিয়ে Online Income করছে। হয়তবা কেউ অনলাইন ইনকাম ওয়েবসাইট এ কাজ করছে। আবার কেউ কেউ বিভিন্ন Mobile Apps এ কাজ করে ইনকাম করছে।

শুধু তাই নয়, বর্তমানে অনলাইন ইনকাম এর পদ্ধতি গুলো দিনকে দিন সহজ থেকে সহজতর হয়ে উঠছে। আর আপনি এই ইনকাম করার সুযোগ গুলোকে যতো সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারবেন।

আপনার অনলাইন ইনকাম এর পথ গুলোও ঠিক ততোটাই প্রসশ্ত হবে।

ঠিক তেমনি ভাবে বর্তমানে এমন কিছু বাংলাদেশি আয় করার অ্যাপ আছে। যেগুলোতে আপনি সঠিকভাবে কাজ করতে পারলে। প্রতি মাসে কমপক্ষে ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার পর্যন্ত টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

শুধু তাই নয়, আপনি যদি বাংলাদেশি আয় করার অ্যাপ গুলো তে কাজ করে টাকা ইনকাম করেন। তাহলে আপনার উপার্জন করা টাকা গুলো আপনার নিজের BKash Payment এর মাধ্যমে উওলন করতে পারবেন।

তো কিভাবে আপনি বাংলাদেশি App দিয়ে টাকা ইনকাম করবেন। এবং তার জন্য আপনার কি কি জানতে হবে। কি কি কাজ করতে হবে ইত্যাদি বিষয়গুলো নিয়ে আজকে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

তাই আপনার হাতে যদি সময় থাকে, তাহলে আজকের এই মূল্যবান আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়বেন। তাহলে মোবাইল বাংলাদেশি এপ থেকে টাকা আয় করতে পারবেন।

সত্যি কি বাংলাদেশি অ্যাপ থেকে টাকা ইনকাম করা যায়? 

এই প্রশ্নটি শুধুমাত্র আপনার নয়, বরং প্রত্যেকটা মানুষের মনে এই প্রশ্নটি জেগে থাকে ৷ তাই এই প্রশ্নের উওরটা একটু ক্লিয়ার ভাবে আলোচনা করবো। যেন আপনার মনে কোনো প্রকার সংশয় না থাকে।

দেখুন বর্তমান সময়টা হলো, অলাইন নির্ভর একটা যুগ। যেখানে আমরা ঘন্টার পর ঘন্টা অনলাইনে সময় ব্যয় করছি।

আবার এমন অনেকেই আছেন, যারা অনলাইনে অযথা সময় ব্যয় না করে ছোটো খাটো কিছু কাজ করে বেশ ভালো পরিমানে ইনকাম জেনারেট করতে পারছে।

তো যদি আমি উদাহরন হিসেবে কয়েক বছর আগে কথা বলি ৷ তাহলে আগের দিন গুলোতেও বিভিন্ন অ্যাপ থেকে ইনকাম করা যেত ৷ কিন্তুু সেই অ্যাপ গুলোতে কাজ করার নানা রকমের সমস্যার সম্মুখীন হতে হতো।

কোথাও বাংলাদেশের আইপি সাপোর্ট করতো না আবার কিছু কিছু ইনকাম করার অ্যাপ গুলোতে কাজ করার পর পেমেন্ট করার সময় নানান ধরনের সমস্যা দেখা দিত ৷

কিন্তুু সেই পুরোনো দিন গুলো ক্রমশ বদলে যেতে শুরু করছে। বিদেশীদের পাশাপাশি বাংলাদেশেও এখন অনেক অ্যাপ চালু হয়ে গেছে। যেখানে আপনি অনেক ছোটো খাটো কাজ করলে বেষ ভালো পরিমানে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, ভাই সত্যি কি বাংলাদেশি টাকা আয় করার অ্যাপ আছে?

উওরে বলবো, হ্যাঁ! আজকের দিনে বাংলাদেশে এমন অনেক অ্যাপ রয়েছে। কিন্তুু সমস্যা হলো, কোন অ্যাপ গুলোর মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে হয়।

তা এখনও অনেকের কাছেই অজানা রয়ে গেছে। যার কারনে আপনি অনলাইন ইনকামের এতো সহজ পদ্ধতি থাকার পরেও কাজে লাগাতে পারছেন না।

কেন বাংলাদেশি অ্যাপ থেকে আয় করবেন? 

এবার হয়তবা আপনি ভাবতে পারেন যে, বর্তমানে এতো আয় করার অ্যাপ থাকার পরেও আপনি কিসের জন্য বাংলাদেশি অ্যাপ থেকে ইনকাম করবেন?

আপনি যদি বাংলাদেশি ইনকাম করার অ্যাপ এ কাজ করেন। তাহলে কি কি সুবিধা ভোগ করতে পারবেন?

ওয়েল! যখন আপনি দেশীয় কোনো পন্য ব্যবহার করবেন৷ তখন আপনি নানা রকমের সুবিধা ভোগ করবেন। এটা তো আমাদের সবারই জানা আছে, তাইনা?

ঠিক তেমনি ভাবে আপনি যখন মোবাইল দিয়ে ইনকাম করার কথা ভাববেন। তখন সবার আগে দেশীয় আ্যপ গুলোতে কাজ করা উচিত। এতে করে মোবাইল দিয়ে আয় করার পদ্ধতিতে আপনার ভেতরে পজেটিভ ইফেক্ট ফেলবে।

তো যদি আপনি অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার আমাদের Bangladeshi Income App এ কাজ করেন। তাহলে বেশ কিছু সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। যেমন,

#No-1: Trusted For Bangladeshi Income Apps

হুমমম, আপনি যদি আমাদের দেশী এপস গুলো তে কাজ করেন। তাহলে সবার আগে আপনি যে সুবিধাটি ভোগ করবেন, সেটি হলো বিশ্বশ্ততা। যা আপনি অন্য কোথাও পাবেন না।

দেখুন, কয়েক বছর আগে যখন আমি বিভিন্ন টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট বা টাকা ইনকাম করার অ্যাপ গুলোতে কাজ করতাম। তখন সবচেয়ে বেশিরভাগ সময় বিশ্বস্ততা নিয়ে বেশ টেনশন করতে হতো।

কারন আমি যে ইনকাম এপস গুলোতে কাজ করতাম। তার মধ্যে বেশিরভাগ ই ছিলো প্রতারনার নতুন ফাঁদ। কারন টাকা ইনকাম করার আশায় তো আমি কাজ ঠিকই করতাম।

কিন্তুু কাজ শেষে যখন পেমেন্ট নেয়ার জন্য উইথড্র করতাম। ঠিক তখনি ঘটতো নানা বিপওি।

কারন সেই সময়ে আমি জানতাম না যে, তারা এপস এর মালিকরা আমাকে দিয়ে শুধু কাজ করিয়ে নিচ্ছে। কিন্তুু তাদের পেমেন্ট করার কোনো আগ্রহ নেই। যাকে এক কথায় বলা হয়, বাটপারি লেভেল ম্যাক্স প্রো।

কিন্তুু আপনি যদি টাকা আয় করার জন্য বাংলাদেশি ইনকাম করার এপস কে বেছ নেন। তাহলে কিন্তুু এই প্রতারনা থেকে অনেকটাই রেহাই পাবেন৷ কারন দেশিও এপস গুলো কতটুকু বিশ্বস্ত, তা আপনি খুব সহজেই খুজে নিতে পারবেন।

আর মূলত এই কারন গুলোর জন্য আপনার উচিত যে, বাংলাদেশি ইনকাম করার এপস এ কাজ করা।

#No-2: Easy Payment Method 

আপনি সবচেয়ে বেশি সুবিধাটি লক্ষ্য করতে পারবেন তা হলো, সহজ পদ্ধতিতে পেমেন্ট নেয়া। যা আপনি অন্যান্য কোনো এপস এ পাবেন না।

দেখুন আপনি যদি এখনও বাইরের কোনো দেশের ইনকাম করার এপস এ কাজ করেন। তাহলে আপনাকে প্রতিনিয়ত যে সমস্যাটিতে পড়তে হবে, তা হলো পেমেন্ট মেথডে।

কারন অন্যান্য দেশের পেমেন্ট মেথড গুলো একটু ভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে।

যেমন, আমি একটা Online Income App এ প্রায় ২ মাস কাজ করছিলাম। এবং এই দুই মাসে ঐ এপস এ আমার টোটাল ডলার জমা হয়েছিলো 30 Dollars. কিন্তুু যখন আমি সেই ডলারকে উইথড্র করতে যাই।

তখনি দেখি যে সেখানে PayPal ছাড়া আর অন্য কোনো উইথড্র করার সিস্টেম নেই।

কিন্তুু আপনি তো জানেন, আমাদের সোনার দেশ বাংলাদেশে পেপাল কে সম্পূর্ন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তখন আমি অনলাইনে বিভিন্ন Dollar Exchange Website গুলো তে নক করে আমার উপার্জিত ডলার গুলোকে সেল করে দেই।

কিন্তুু এর পরে তো আমি রীতিমতো অবাক হয়ে যাই।

কারন আমি যে সাইটে গিয়ে ডলার গুলো সেল করছিলাম। তারা আমার ডলার গুলো তো ঠিক ই নিয়েছিলো। কিন্তুু যখন আমার BKash Payment এর সময় আসলো ৷

তখন তারা আর আমার সাথে কোনো যোগাযোগ রাখলো না। যার ফলে ২ মাসের কষ্টের টাকা গুলো জলে চলে যায়।

তবে আপনি যদি Bangladeshi Income Apps গুলোতে কাজ করেন। তাহলে কিন্তুু আপনাকে এই সমস্যা গুলোর সম্মুখীন হতে হবে না।

কারন যেহুতু দেশি অ্যাপ সেহুতু আপনি যখন তখন যেকোনো মাধ্যমে পেমন্ট নিতে পারবেন। যেমন, BKash Payment, Nogod Payment, Mobile Recharge ইত্যাদি মাধ্যমে খুব সহজেই টাকা উওলন করতে পারবেন।

বাংলাদেশি অ্যাপ থেকে টাকা আয় করার উপায়

এবার আপনার জানা উচিত যে, আপনি আসলে কোন উপায় অবলম্বন করে বাংলাদেশি অ্যাপ থেকে টাকা ইনকাম করবেন। তো চলুন এবার সে বিষয় সম্পর্কে একটু ক্লিয়ার ধারনা নেয়া যাক।

দেখুন যে এপস গুলো থেকে ইনকাম করা হয়। সেই এপস গুলোতে সচরাচর Micro Job এর পরিমানটা বেশি লক্ষ্যে করা যায়।

কিন্তুু যখন আপনি বাংলাদেশি আয় করার অ্যাপ গুলোতে কাজ করবেন। তখন আপনাকে মাইক্রো জব এর পাশাপাশি রেফার এর কাজ গুলোতে একটু বেশি প্রাধান্য দিতে হবে।

কারন, মাইক্রো জব করার বিনিময়ে আপনি যে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। তার প্রায় দ্বিগুন বা তিন গুন বেশি টাকা আয় করতে পারবেন ৷ যদি আপনি তাদের Referrer Programme এ যুক্ত হতে পারেন ৷

যেমন, আপনি যদি একটি মাইক্রো জব করার পরে ১০/- টাকা ইনকাম করতে পারেন। তাহলে অপরদিকে আপনি একটি রেফার করার বিনিময়ে ১০০ থেকে ২০০/- পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন।

তাই আপনিও যদি বেশি পরিমানে ইনকাম করতে চান ৷ তাহলে আপনাকে রেফারেল করার কাজটিকে সবচেয়ে গুরুত্ব দিতে হবে।

আমাদের শেষকথা

আশা করি এই আর্টিকেল থেকে বাংলাদেশি app দিয়ে টাকা ইনকাম করার অ্যাপ গুলোর সাথে পরিচিত হতে পেরেছেন। আর এই ইনকাম অ্যাপ গুলো থেকে যে  বিকাশে পেমেন্ট নিতে পারবেন।

সে সম্পর্কেও ক্লিয়ার ধারনা পেয়ে গেছেন। তো সবশেষে আপনার উদ্দেশ্যে কিছু কথা বলবো। শেষটুকু একটু মনোযোগ দিয়ে পড়বেন ৷

দেখুন টাকা ইনকামের আশা নিয়ে হুট করে Investment Site বা Apps এ কাজ করতে যাবেন না। এতে করে আপনি নিজেই নিজের ক্ষতি করে বসবেন।

কারন যেখানে ইনভেস্ট করতে হয়, সেখানে অনেক লোভনীয় অফার দেখানো হয়। যাতে করে আপনি ইনভেষ্টমেণ্ট করতে আগ্রহী হন।

কিন্তুু একটা সময় দেখা যাবে, আপনি যেখানে ইনভেস্ট করবেন। তারা কিছুদিন পর উধাও হয়ে যাবে ৷ তখন আপনার দুধও যাবে আর দুধের কৌটাও চলে যাবে। তাই এসব সাইট বা এপস থেকে বিরত থাকার চেস্টা করবেন।

আর আপনি যদি আরও বাংলাদেশি ইনকাম করার অ্যাপ সম্পর্কে জানতে চান। তাহলে আমাকে কমেন্ট করুন। আমি নেট থেকে খুজে আপনার জন্য পোষ্ট লিখবো ।

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Scroll to Top