Thursday , July 29 2021

ঊর্ধ্বমূল্যের এই বাজারে দুই ভাই ৫০ টাকায় গরুর মাংস বিক্রি করছেন।






ছোট একটি মাংসের দোকান, নাম ‘ভাতিজা শাহিদ ও শরিফের দোকান’। রাজধানীর মিরপুর-১২ নম্বরের ই-ব্লকের ৩৩ নম্বর সড়কের পশ্চিম দিকে বিহারি পট্টিতে গেলেই চোখে পড়বে।

এখানেই গরু ও মুরগির মাংস বিক্রি করেন দুই ভাই শরিফ ও নবাব। ঊর্ধ্বমূল্যের এই বাজারেও মিরপুরে দুই ভাই ৫০ টাকায় গরুর মাংস বিক্রি করছেন। সপ্তাহের প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত চলে বিকিকিনি।






প্রতিদিন দোকানটিতে ১৩-১৪ হাজার টাকার মাংস বিক্রি করেন দুই ভাই।কথা হয় মাংস বিক্রেতা শরিফের সঙ্গে। তার কাছে জানতে চাওয়া হয়, গরুর মাংসের দাম যেখানে প্রায় ৬০০ টাকা সেখানে তিনি কীভাবে ৫০ টাকায় মাংস বিক্রি করেন? উত্তরে তিনি জানান,

যাদের মাংস খেতে খুব ইচ্ছে করে কিন্তু দাম বেশি হওয়ায় কিনতে পারেন না-মূলত তারাই এখানে মাংস কেনেন। ১৫ বছর ধরে তাদের এই দোকানটি। তার বাবা এক সময় দোকানটি চালাতেন।






তখন থেকে তিনিও এভাবে মাংস বিক্রি করতেন। গত ৫ বছর ধরে দুই ভাই দোকানটি পরিচালনা করেন। তারাও বাবার দেখানো পথে এভাবে মাংস বিক্রি করেন।

তারা সাত ভাই ও এক বোন। সঙ্গে রয়েছেন বাবা ও মা। থাকেন বিহারী পট্টিতে। বড় দুই ভাই বয়সে কিশোর হলেও সংসারের হাল তারাই ধরেছেন। দোকানটিতে কোনো ক্রেতা গেলেই যেকোনো পরিমাণের মাংস কিনতে পারেন।






তারা ৫০ টাকায়ও গরুর মাংস বিক্রি করেন। কেউ চাইলে যে কোনো অংকের টাকায় কলিজা বা মুরগির মাংসও কিনতে পারেন।শরিফ জানান,

যে কেউ যে কোনো পরিমাণে মাংস কিনতে পারেন। এতে তাদের লাভ হয় না। কারণ এসব মাংসে তারা হার দেন না। তবুও গরিব মানুষের জন্য তারা এ ব্যবস্থাটি রেখেছেন। বাংলাদেশ জার্নাল